এই কাণ্ডের প্রধান চরিত্র
- শ্রীরাম — অযোধ্যার রাজপুত্র, বিষ্ণুর অবতার
- সীতা — জনক রাজার কন্যা, রামের পত্নী
- দশরথ — অযোধ্যার রাজা, রামের পিতা
- বিশ্বামিত্র — মহামুনি, রাম-লক্ষ্মণের গুরু
- জনক — মিথিলার রাজা, সীতার পিতা
- বাল্মীকি — রামায়ণ রচয়িতা
বালকাণ্ডে রামের জন্ম থেকে শুরু করে সীতার সাথে বিবাহ পর্যন্ত সমস্ত ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। এটিই রামায়ণের সূচনা পর্ব, যেখানে মূল চরিত্রদের পরিচয় ও ভবিষ্যতের ঘটনাপুঞ্জের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
বালকাণ্ডে বাল্মীকি রামায়ণের সূচনা ঘটে। এই কাণ্ডে মুনি বাল্মীকি নারদ মুনির কাছে শ্রীরামের মহিমা শুনে প্রথম রামায়ণ রচনার সঙ্কল্প করেন। এরপর অযোধ্যার রাজা দশরথ, তাঁর চার পুত্রের জন্ম, বিশ্বামিত্র মুনির আগমন, রাম-লক্ষ্মণের বিশ্বামিত্রের সাথে যাত্রা, তাড়কা ও সুবাহু রাক্ষস বধ, গৌতম মুনির পত্নী অহল্যার উদ্ধার, সীতার স্বয়ম্বর সভায় শিবধনু ভঙ্গ এবং রাম-সীতার বিবাহ — এই সমস্ত ঘটনা বালকাণ্ডেই বিবৃত হয়েছে।
এই কাণ্ডের মাধ্যমে রামায়ণের মূল ভিত্তি নির্মিত হয়। এখান থেকেই রামের দিব্যত্ব, তাঁর সাহস, ধর্মনিষ্ঠা এবং মানবীয় গুণাবলির প্রথম পরিচয় মেলে। সীতার সঙ্গে রামের মিলন এই কাণ্ডের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা, যা পরবর্তী সমস্ত কাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু।
বালকাণ্ডের পর রাম অযোধ্যা ফিরে এলে রাজ্যাভিষেকের আয়োজন হয়। কিন্তু মন্থরার ষড়যন্ত্রে তা বানচাল হয়ে যায়।