এই কাণ্ডের বিশেষত্ব
- রাবণের চরিত্রের প্রথম প্রত্যক্ষ আবির্ভাব
- সীতা হরণ রামায়ণের মূল প্লটের টার্নিং পয়েন্ট
- জটায়ুর আত্মত্যাগ ও ভক্তি
- মারীচের ছলে-বলে প্রবঞ্চনা
এই কাণ্ডে রাম-সীতা-লক্ষ্মণের বনবাসের ঘটনা বর্ণিত। পঞ্চবটীতে তাদের জীবন, শূর্পণখার নাক কাটা, মারীচ বধ ও রাবণের ছলে বলে সীতা হরণ — এই কাণ্ডের প্রধান ঘটনা। জটায়ু পাখি সীতাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং রাবণের সাথে যুদ্ধ করে আহত হয়।
রাম-সীতা-লক্ষ্মণ অযোধ্যা ত্যাগ করে প্রথমে চিত্রকূট, পরে পঞ্চবটীতে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। সেখানে তারা ফুল-ফল ও শিকার করে জীবনযাপন করেন। একদিন শূর্পণখা নামে এক রাক্ষসী রামকে দেখে মুগ্ধ হয় এবং বিবাহের প্রস্তাব দেয়। রাম তা প্রত্যাখ্যান করলে শূর্পণখা লক্ষ্মণকে প্রস্তাব দেয়। লক্ষ্মণ শূর্পণখার নাক ও কান কেটে দেন।
শূর্পণখা তার ভাই খর ও দূষণের কাছে যায়। তারা বিশাল রাক্ষসবাহিনী নিয়ে আক্রমণ করলে রাম একাই তাদের বধ করেন। শূর্পণখা রাবণের কাছে গিয়ে সমস্ত ঘটনা জানায়। রাবণ সীতা হরণের সঙ্কল্প করে। মারীচ স্বর্ণমৃগ সেজে সীতাকে মুগ্ধ করে। রাম মৃগের পিছনে যান। লক্ষ্মণ সীতার নিষেধ সত্ত্বেও সীতা রক্ষার জন্য যান। এই সুযোগে রাবণ সীতাকে হরণ করে লঙ্কায় নিয়ে যান। পথে জটায়ু রাবণকে বাধা দেয়, কিন্তু রাবণ জটায়ুর পাখা কেটে দেয়।
সীতাকে হারিয়ে রাম শোকে অধীর হন। তিনি সীতার সন্ধানে বের হন এবং সুগ্রীবের সাথে সাক্ষাৎ করেন।