এই কাণ্ডের শিক্ষা
- বন্ধুত্ব — বিপদের সময় প্রকৃত বন্ধুর মূল্য
- প্রতিশ্রুতি রক্ষা — রাম সুগ্রীবকে রাজ্য এনে দেন
- ন্যায় প্রতিষ্ঠা — অন্যায় শক্তির পতন
- দলবদ্ধ প্রচেষ্টা — এক লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে সেনা সংগঠন
এই কাণ্ডে রামের সাথে বানররাজ সুগ্রীবের মৈত্রী স্থাপিত হয়। রাম বালিকে বধ করেন এবং সুগ্রীবকে কিষ্কিন্ধার রাজা করেন। সুগ্রীব তাঁর বানরসেনাকে সীতা সন্ধানে প্রেরণ করেন। এই কাণ্ডে বন্ধুত্ব, প্রতিশ্রুতি ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠার আদর্শ ফুটে ওঠে।
সীতা হরণের পর রাম শোকে অধীর হন। তিনি সীতার সন্ধানে বের হন। পথে জটায়ুর সাথে দেখা হয়, যিনি রাবণের দিকে ইঙ্গিত করেন। এরপর রামের সাথে হনুমানের এবং পরে সুগ্রীবের সাক্ষাৎ হয়। সুগ্রীব জানান, তিনি সীতাকে রাবণের রথে দেখেছেন। রাম ও সুগ্রীবের মধ্যে মৈত্রী স্থাপিত হয়। রাম সুগ্রীবকে বালির হাত থেকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বালিকে বধ করেন।
সুগ্রীব কিষ্কিন্ধার রাজা হন এবং বর্ষাকাল শেষে বানরসেনা পাঠান সীতার সন্ধানে। হনুমান, অঙ্গদ, জাম্ববান প্রমুখ বানরসেনানীরা চার দিকে ছড়িয়ে পড়েন। দক্ষিণ দিকের দলে হনুমানকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই কাণ্ড শেষে সীতা সন্ধানের বিশাল অভিযানের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়।
হনুমান দক্ষিণ দিকে যাত্রা করে সমুদ্র লঙ্ঘন করেন এবং লঙ্কায় গিয়ে সীতার সন্ধান পান।